আজ || রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
শিরোনাম :
 

আজ বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করতে পারে


১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত

উপকূলের কাছাকাছি এসে কিছুটা দিক পরিবর্তন করেছে সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও আঘাত হানতে পারে। বুধবার সকাল থেকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের পরিবর্তে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এই দুটি বন্দরের আশপাশের অঞ্চলও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস (২৯ নং) থেকে জানা যায়, সুপার সাইক্লোন আম্ফান আজ ২০ মে বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে সুন্দরবনের কাছ দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

সুপার সাইক্লোন কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আম্ফানের প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলে ৫ থেকে ১০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলে ১৪০ থেকে ১৬০ মিটার বেগে ঝড়ো বাতাসসহ অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তাই উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা নৌযানগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

সুপার সাইক্লোন কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তীব্রতা কিছুটা কমে সুপার সাইক্লোন আম্ফান ‘অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিয়েছে। বুধবার (২০ মে) বিকেল থেকে সন্ধ্যা নাগাদ ভারী বর্ষণ ও টানা ঝড়ো বাতাসসহ ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার বেগে বাংলাদেশের হাতিয়া ও পশ্চিমবঙ্গের দীঘায় আম্পান আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আম্ফান বাংলাদেশ , ভারতীয় সমুদ্র উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এর প্রভাবে এরই মাঝে উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় ঝর বাতাস ও ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে।  করোনার হুমকির মধ্যে এ ঘূর্ণিঝড় আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে গুরুতর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 


Top