আজ || সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২
শিরোনাম :
  বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সহ- বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন গৌতম       তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী ঢাবিতে চান্স পেয়েছে       তালা উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ হলেন যারা       তালায় গৃহশিক্ষককে না পেয়ে ঘর ভাংচুর!       সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে তালা সরকারি কলেজ সড়কে       তালায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার       স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ’– বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত       তালা মহিলা কলেজ থেকে ঢাবিতে চান্স পেয়েছে সামিয়া ও প্রজ্ঞা       তালায় রথযাত্রা উৎসব শুরু       ঈদুল আজহা ১০ জুলাই    
 

মানবতা কি আজ বিপন্ন


সাতক্ষীরার শ্রমিক বরিশালে শিরিন ব্রিকসের আগুনে ঝলসে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

জীবিকার তাগিদে ইট ভাটা শ্রমিক আগুনে ঝলসে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে পাঞ্জা লড়ছে। নানা কৌতহুলী চিকিৎসার পর গত ২ দিন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের বারান্দায় পড়েছিল।

তার শরীরের অর্ধেক অঙ্গ ইট ভাটার তপ্ত আগুনে ঝলসে গেছে। সে আর কখনও উঠে হাটতে পারবে কিনা এ আশংক্ষায় উদ্বিগ্ন তার পরিবার।

৩০শে এপ্রিল দরিদ্র পরিবারটির উদ্যোগে খুলনা বার্ন ইউনিটে ভর্তির জন্য পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার বিবারনে বরবর নির্যাতনের লোহমর্শক ঘটনা থেকে গেছে অন্তরালে। সাতক্ষীরার সদর থানার দেব নগর গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র এক সন্তানের জনক। দিন মজুর মেহেদী হাসান(২৬) একই গ্রামের মৃত লিয়াকতের পুত্র লিবার সর্দার মজনুর সাথে জীবিকার তাগিদে পাড়ি দেয় বরিশাল জেলার বানারি পাড়া থানার বাইসরী ্্্্্্উইনিয়নের সন্ধ্যা নদীর তীরে অবস্থিত শিরীন ব্রিকসের মালিক মিন্টুর ভাটায়।

ইট ভাটায় ঝলসে যাওয়া শ্রমিক মেহেদী হাসান পোড়ানো ইট ভ্যানে করে বের করত। গত ১৩ই এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২টায় তার শরীরের ২ পা সহ মাজা পর্যান্ত পুড়ে যায়।

এখানে প্রশ্ন একাধিক ভাটা মালিক ও শ্রমিকরা জানিয়েছেন পোড়ানো ইট বের করা শ্রমিক এভাবে আগুনে ঝলসে যেতে পারে না! ঘটনার ১ দিন পর করোনা ভাইরাসের মধ্যে আহত শ্রমিককে সাতক্ষীরায় এনে একতা হাসপাতালে ভর্তি করে।

সেখানে ২৭শে এপ্রিল পর্যন্ত লোক দেখানো চিকিৎসায় উন্নতি না হওয়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে বিগত চিকিৎসার সকল কাগজ পত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ভাটা সর্দার মজনু।

হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎক মেহেদী হাসানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা ইউনিটে ভর্তির পরামর্শ দেন। ভাটা সর্দার পালিয়ে যাওয়ায় দরিদ্র পরিবারটি ৩০শে এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষায় থেকে বসত ভিটা বন্ধক রেখে রোগীকে খুলনা পাঠিয়েছে।
জনমনে প্রশ্ন? বানারি পাড়া উপজেলা হাসপাতাল,বরিশাল ও খুলনা বিভাগীয় হাসপাতাল রেখে কেন তাকে সাতক্ষীরার একটি বে-সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হল। কি কারনে কাগজ পত্র নিয়ে সর্দার মজনু পালিয়েছে। ঘটনার অন্তরালে কি রয়েছে তা জানতে চাই এলাকাবাসী।

বিষয়টি জানিয়ে সাতক্ষীরায় কর্তব্যরত সাংবাদিকরা বানারি পাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদকে জানানো হলে তিনি গত ৩ দিন ভাটা মালিককে আহত শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিলেও তা উপেক্ষা করে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছেন।

বিষয়টি শ্রম অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ পরিচালক উসমান গনিকে জানানো হলে তিনিও ভাটা মালিককে একই নির্দেশ দেন। সব কিছু কেন উপেক্ষা করেছে জানতে চেয়ে তার সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ভাটায় শ্রমিক পুড়ে আহত হওয়ার কথা স্বীকার করলেও সে নাকি তার শ্রমিক না এই বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এদিকে বিষয়টি কাল্পনিক ও পরিকল্পিত তা স্পষ্ঠ হতে শুরু করেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান জানিয়েছেন বিষয়টি জানা ছিল না তবে ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে ভাটা মালিকের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Top