আজ || বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২
শিরোনাম :
  তালায় চিংড়ি চাষিদের একদিনের প্রশিক্ষণ       তালায় আশ্রায়ণ প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান উদ্বোধন       শ্যামনগরে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬শ ৬৫ শিক্ষার্থী       ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদ পেলেন শ্যামনগরের তরিকুল ইসলাম বাবু       তালায় ৪০ পরিবারের মাঝে গাছসহ কৃষি উপকরণ বিতরণ       তালায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে সৈকত একাডেমি চ্যাম্পিয়ন       তালায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত       সাতক্ষীরায় সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কনসালটেশন ম্যাপিং সভা       শ্যামনগরে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের মুক্ত আলোচনা       শ্যামনগরে একে ফজলুল হক এমসিএ কলেজে সুধী সমাবেশ    
 


সাতক্ষীরায় ক্লিনিকের নার্সকে ধর্ষন: ধর্ষণকারী ডাক্তার আটক

ধর্ষণকারী ডাক্তার আটক

সাতক্ষীরায় ক্লিনিকের কর্মরত নার্সকে ধর্ষন করে ক্লিনিকে আটকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে ঐ একই ক্লিনিকের এক ডাক্তারের বিরুদ্ধে। সাতক্ষীরা শহরের শিমুল ক্লিনিকের ঐ নার্সকে একই ক্লিনিকের ডা. রিয়াজুল ইসলাম সেভেন আপের সাথে চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। দু’দিন ক্লিনিকে আটকে রেখে ধর্ষণের পর খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এঘটনায় ধর্ষণের শিকার নার্স ওই চিকিসকের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ধর্ষক ডা. রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার ঘোনা মাঝেরপাড়া গ্রামের এক কিশোরী ১৫ দিন আগে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল খুলনা রোড এলাকার শিমুল ক্লিনিকে নার্সের চাকরি নেয়। চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই তার উপর নজর পড়ে ওই ক্লিনিকের ডাক্তার রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের। সে প্রায়ই ওই কিশোরীকে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে রিয়াজ কৌশলে কোমলপানীয় সেভেন আপের সাথে তাকে চেতনানাশক পান করায়। এক পর্যায় ওই কিশোরী অচেতন হয়ে পড়লে কর্মচারী মাহমুদ ও ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ দু’জনে তাকে ক্লিনিকের তিনতলা থেকে তুলে ছাদের উপর নিয়ে যায়। অচেতন অবস্থায় তাকে ধর্ষণ করে ডাক্তার রিয়াজুল। রাত সাড়ে তিনটার দিকে জ্ঞান ফেরার পর সে বাইরে আসার চেষ্টা করলে তাকে একটি রুমের মধ্যে আটকিয়ে রাখে ক্লিনিকের মালিক শহিদুল ও তার ছেলে মিঠুন। ডাক্তার রিয়াজুলের সাথে তাকে বিয়ে দিবে এই প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি জানাজানি না করার জন্য ধর্ষিতা ওই কিশোরীকে প্রস্তাব দিয়ে দুইদিন ঘরের মধ্যে তাকে আটকে রাখে শহিদুল। তাকে বাইরে কারো সাথে যোগযোগও করতে দেয়নি তারা।
এদিকে দু’দিন ধরে ওই কিশোরীর কোন খোঁজ না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি সদর থানায় পুলিশকে জানায়। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সদর থানা পুলিশ শিমুল ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে ধর্ষিতা ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এঘটনায় ধর্ষিতা ওই কিশোরী নিজে বাদী হয়ে ধর্ষক ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ক্লিনিকের মালিক শহিদুল ও তার ছেলে মিঠুনসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং-৭৭।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বার্তা বাজারকে বলেন, ইতোমধ্যে ধর্ষক চিকিৎস্যক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে।


Top