আজ || মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২
শিরোনাম :
  শ্যামনগরে উত্তরণের বিশ্ব শিশু অধিকার সপ্তাহ উদযাপন       তালায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত       ‘অভিযোগ পেলেই কেবল ব্যবস্থা’       তালায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ       তালায় সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন       তালায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস       তালায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির       সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের শোক       তালায় কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত       সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যানেল আই’র ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন    
 


শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের রান্না প্রতিযোগিতা

শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের রান্না প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের বিড়ালক্ষী আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাঠে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসকি আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ১০ জন কৃষাণী ১০ ধরনের অচাষকৃত উদ্ভিদের শাক রান্না করেন।

প্রতিযোগিতায় স্থানীয় কুলসুম বেগম কলমীশাক রান্নাকরে প্রধম, রোজিনা বেগম কচুশাক রান্না করে দ্বিতীয় ও রিমা খাতুন থানকুনি শাক রান্না করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন।

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত ব্যতিক্রমধর্মী এই রান্না প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু।

অনুষ্ঠানে নতুন প্রজম্মের মাঝে কুড়িয়ে পাওয়া অচাষকৃত উদ্ভিদের প্রতি মনোযোগ ও উৎসাহ তৈরী, কুড়িয়ে পাওয়া অচাষকৃত শাক সংরক্ষণ ও খাদ্য নিরাপত্তার গ্রামীণ নারীর সংগ্রামকে স্বীকৃতি জানাতে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা গাজী কামরুল ইসলাম বলেন, আগে প্রকৃতিতে সব কিছুই পাওয়া যেত। কিন্তু কালের বিবর্তনে বর্তমানে প্রকৃতিতে অনেক কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না বা কম পাওয়া যাচ্ছে। এক সময় দক্ষিণাঞ্চলকে প্রকৃতির ভান্ডার বলা হতো। লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্ধি ও ফসল উৎপাদনে মানুষ অতিরিক্ত মাত্রায় নানা ধরনের রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে প্রকৃতির অনেক উপাদান হারিয়ে যেতে বসেছে। এর মধ্যে অন্যতম অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য।

ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু বলেন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ও নানাবিধ উন্নয়ন দুর্যোগের পাশাপাশি বিশ্ব আজ জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি। গ্রামীন জনপদের জনগণ ত্রই সংকট মোকাবেলা করে টিকে থাকার সংগ্রাম করে চলেছেন। স্থানীয় মানুষের লোকায়িত জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে সকলে মিলে সকলের সাথে এক বৈচিত্র্যময় সুখী দেশ ও সমাজ গড়তে কাজ করে যেতে হবে। প্রাণ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় নবীন ও প্রবীণদের একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।


Top