আজ || সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২
শিরোনাম :
  শ্যামনগর হাসপাতালের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং পুনঃনির্মাণ করার দাবিতে মানববন্ধন       যুদ্ধ নয়, আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী       জলবায়ু সমস্যাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সাতক্ষীরা শ্যামনগরের উপকূলের নারীরা       তালায় চুরির অপবাদে শিশুকে নির্যাতনের মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার       মাছ ধরার পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক স্কুলে পড়ছে গোলাম রসূল       তালায় চুরির অপবাদে শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা       যারা আপনাকে কষ্ট দিয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন : প্রভা       জিতেও টানা দ্বিতীয়বারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকে জার্মানির বিদায়       ক্যান্সার নিরাময়ে ফুলকপি       লাউয়ের বরফি    
 


মহান মে দিবস আজ

বিশ্বের কোটি কোটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও দাবি আদায়ের মহান মে দিবস আজ। মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা আর শ্রমিকদের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটার স্বপ্ন দেখারও দিন এটি। ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা উপযুক্ত মজুরি এবং দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। কল-কারখানা তখন গিলে খাচ্ছিল শ্রমিকের গোটা জীবন। অসহনীয় পরিবেশে ১৬ ঘণ্টা প্রতিদিন কাজ করতে হতো।

সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করে শ্রমিকের স্বাস্থ্য একেবারে ভেঙে যাচ্ছিল। শ্রমজীবী শিশুরা হয়ে পড়েছিল কঙ্কালসার। তখন দাবি উঠেছিল, কল-কারখানায় শ্রমিকের গোটা জীবন কিনে নেয়া যাবে না। এই দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনের সময় ওই বছরের ১লা মে শ্রমিকরা ধর্মঘট আহ্বান করেন। প্রায় ৩ লাখ মেহনতি মানুষ ওই সমাবেশে অংশ নেন।

একপর্যায়ে আন্দোলনরত ক্ষুব্ধ শ্রমিকদের রুখতে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি চালায় মিছিলে। পুলিশের গুলিতে বহু শ্রমিক হতাহত হন। পরে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তারকৃত ৬ শ্রমিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। কারাগারে বন্দিদশায় এক শ্রমিক নেতা আত্মহত্যা করেন। সেই শ্রমিকদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দৈনিক কাজের সময় আট ঘণ্টা করার দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

পরের বছর প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে দিনটিকে  মে দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়। পালন করা হয় ব্যাপক কর্মসূচিতে। তবে এবার করোনা ভাইরাসের কারণে সকল কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।   দিনটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক সংগঠনগুলো পৃথক বাণী দিয়েছেন।


Top