আজ || বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২
শিরোনাম :
  তালায় কোম্পানী কর্মী মিঠুন দাশ লাপাত্তা!       তালায় পল্লীসমাজের কমিটি পুর্নগঠন       তালার জালালপুর ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ       শ্যামনগরে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত       ৫ জুলাই মৃত্যু দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুস সালামের সংক্ষিপ্ত জীবনী       আজ মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুস সালাম’র ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী       এবার বিমানে চড়েই গায়ানা গেল বাংলাদেশ দল       পুলিশ কর্মকর্তার ২৮ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ দুদকে       গ্যাস সংকট কাটছে না, শুরু হয়েছে বিদ্যুৎস্বল্পতা       বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সহ- বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন গৌতম    
 


বিদেশি শিল্পী দিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে বেশি ট্যাক্স: তথ্যমন্ত্রী

বিদেশি কলাকুশলীদের দিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে বেশি ট্যাক্স দিতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, শুধু কলাকুশলী নয়, যিনি বানাবেন এবং প্রদর্শন করবেন তাকেও ট্যাক্স দিতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের দ্বিতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের ছেলে-মেয়েরা যারা অভিনয় করেন, বিজ্ঞাপন অভিনয় করেন, তারা অনেক স্মার্ট। কিন্তু আমরা দেখতে পাই, বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বিদেশ থেকে দ্বিতীয় মানের শিল্পী দিয়ে তৈরি করে আনেন। আমরা একটি বিধান করতে যাচ্ছি। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে যে কেউ যে কাউকে দিয়ে বিজ্ঞাপন বানিয়ে আনতে পারেন। বিদেশি অভিনেতা, অভিনেত্রীদের দিয়ে বিজ্ঞাপন বানিয়ে আনতে পারেন। তবে অনেক বেশি ট্যাক্স দিতে হবে। শুধুমাত্র যিনি বিজ্ঞাপন চিত্রে অভিনয় করবেন তাকে নয়, যিনি বিজ্ঞাপন বানাবেন তাকেও ট্যাক্স দিতে হবে। যিনি প্রদর্শন করবেন তাকেও ট্যাক্স দিতে হবে। আমি এনিআরের সঙ্গে কথা বলেছি, অর্থমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়েছি। এটি হলে আমাদের দেশের কলাকুশলী ও শিল্পের সুরক্ষা হবে।

প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি বাচ্চা ছেলের বিজ্ঞাপনও কি বিদেশ থেকে বানিয়ে আনতে হয়? এক্ষেত্রে আমরা কড়াকরি করতে যাচ্ছি।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সম্প্রচার মাধ্যমের পেশার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, অবশ্যই তাদের চাকরির সুরক্ষা প্রয়োজন। খুব শিগগিরই গণমাধ্যমকর্মী আইন মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য চেষ্টা করবো। আগামী সংসদ অধিবেশনে সেটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো। গণমাধ্যমকর্মী আইন যখন চূড়ান্ত হবে তখন গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির আইনগতভাবে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই।

সম্প্রচার আইন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রচার আইন দেড় বছর আগে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয় এটির ভেটিংয়ের কাজ শুরু করেছে। আমরা আশা করছি দ্রুত ভেটিং হয়ে আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে। আপনারা জানেন সম্প্রচার নীতিমালা রয়েছে, এটি আইনে পরিণত হবে।’

গণমাধ্যমের মালিকপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির সুরক্ষার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের মালিকপক্ষকে অনেক বেশি তৎপর হতে হবে। ১০ বছর ধরে চাকরি করছেন, হঠাৎ সে জানালো তার চাকরি নেই। এটি গণতন্ত্রের পরিপন্থী, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। এটি কোনওভাবে কাম্য নয়। আমি আশা করি আইন দুটি পাস হলে এমনটি করা সম্ভব হবে না।

ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক রাজার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শাকিল আহমেদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, ঢাকায় নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেল ও একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু।


Top