ব্রেকিং নিউজঃ

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতিসহ ৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা’র গাড়ি বহরে হামলা মামলা:

আজমল হোসেন জুয়েল।।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০, ১৭:০৯
  • ৯৩

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলা মামলা তৎকালিন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতিসহ ৫ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়েছে। সাতক্ষীরা চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের আদালতে দুপুরে জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়। তবে সুপ্রীম কোর্টের এ্যাপিলেট ডিভিশনের চেম্বার জজ আদালতে লিভ টু আপীল শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য হওয়ায় আজকেও সাক্ষী জেরা করেননি আসামী পক্ষের আইনজীবীরা।
সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আব্দুল লতিফ জানান, মামলাটিতে ১১ থেকে ১৫তম স্বাক্ষীকে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করেছে এবং তাদের জবানবন্দী রেকর্ড করেছেন আদালত। তবে অন্যান্য দিনের মত আসামী পক্ষের আইনজীবীরা আজকেও জেরা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
রবিবার দুপুরে আদালতে বাদি ও বিবাদী পক্ষ সঙ্গবদ্ধ হয়ে আদালতে হাজিরা দেন। আদালত একে একে ফাতেমা জাহান সাথী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহমেদ, সাবেক ছাত্রলীগনেতা শরীফুল হক রাসেল, সৈনিকলীগ নেতা সরদার মুজিবুর ও ক্যামেরাম্যান শহীদুল ইসলাম জীবনের স্বাক্ষী গ্রহণ করে।

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতা এক নারীকে দেখতে আসেন। তিনি ঢাকায় ফেরার পথে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলারোয়া বিএনপি অফিসের সামনে তার গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগ উঠে তৎকালিন সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দীন বাদী হয়ে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আশরাফ হোসেনসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত ৭০/৭৫ জনের নামে থানায় ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে এক যুগ পর ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর কলারোয়া থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। এরপর ২০১৫ সালের ১৭ মে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাতক্ষীরা ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০ জনকে স্বাক্ষী করে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শেখ সফিকুর ইসলাম। সাতক্ষীরা চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আসামীপক্ষের আপীল আবেদনে মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দেন উচ্চতর আদালত। এরপর রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চতর আদালত চলতি বছরের ২২ অক্টোবর মামলাটির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নথি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে নির্দেশ দেন।

অন্যকে জানাতে শেয়ার করুন

আরও পড়ুন