আজ || বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২
শিরোনাম :
  তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু       তালায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা নির্মূল করণে প্রশিক্ষণ       আমন মৌসুমে ব্রী ধান ৭৫ জাতের আগাম রোপণে সাফল্য পেয়েছে কৃষক রফিকুল       তালায় সামাজিক সম্প্রতি ও দুধে ভেজাল প্রতিরোধে শীর্ষক আলোচনা       সাতক্ষীরায় মাল্টি স্টেকহোল্ডার কোঅডিনেশন কমিটির ত্রৈমাসিক সভা       বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত       সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন       তালায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালিত       তালায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা নির্মূল করণে প্রশিক্ষণ       তালায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত    
 


‘জয় বাংলা’ হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান : হাইকোর্ট

স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রেরণা জোগানো স্লোগান ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জাতীয় অনুষ্ঠান, সভা, সমাবেশে প্রত্যেকের বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা বলারও নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিটকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

আদেশে আদালত বলেছেন, আমরা ঘোষণা করছি যে, জয় বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে। সব জাতীয় দিবসগুলোয় এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ এবং রাষ্ট্রীয় সব কর্মকর্তা সরকারি অনুষ্ঠানের বক্তব্য শেষে যেন জয়বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি সমাপ্তির পর ছাত্র-শিক্ষকগণ যেন জয়বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন, তার জন্য বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতির প্রতিবেদন ৩ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে দাখিলে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে ২০১৭ সালে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ হাইকোর্টে রিটটি করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে হলা হয়েছিল।

এ রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছিলেন। পরে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়। এর পর রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।


Top