আজ || বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
শিরোনাম :
  তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন       তালা মহিলা কলেজে নবীন বরণ ও আইসিটি ভবনের উদ্বোধন       জাতীয় শিশু পুরষ্কার পেলো তালার রিফাত হাসান       সুখবর দিলেন মিথিলা       সুগন্ধির বোতল কোথায় রাখলে সুবাস টিকবে বেশি দিন?       গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী       জাতীয় শিশু পুরষ্কার পেলো তালার ক্ষুদে বিজ্ঞানী জাবের অংগন       তালায় ট্রাকের ধাক্কায় মটরসাইকেল আরোহী নিহত       তালায় এসইপি প্রকল্পের উদ্দ্যোগে মৃৎপন্যের মানোন্নায়নে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ       তালায় চুরির অপবাদে শিশুকে নির্যাতনের মামলায় দুইজন গ্রেপ্তার    
 


‘জয় বাংলা’ হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান : হাইকোর্ট

স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রেরণা জোগানো স্লোগান ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জাতীয় অনুষ্ঠান, সভা, সমাবেশে প্রত্যেকের বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা বলারও নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিটকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

আদেশে আদালত বলেছেন, আমরা ঘোষণা করছি যে, জয় বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে। সব জাতীয় দিবসগুলোয় এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ এবং রাষ্ট্রীয় সব কর্মকর্তা সরকারি অনুষ্ঠানের বক্তব্য শেষে যেন জয়বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি সমাপ্তির পর ছাত্র-শিক্ষকগণ যেন জয়বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন, তার জন্য বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতির প্রতিবেদন ৩ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে দাখিলে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে ২০১৭ সালে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ হাইকোর্টে রিটটি করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে হলা হয়েছিল।

এ রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছিলেন। পরে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়। এর পর রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।


Top