আজ || মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২
শিরোনাম :
  তালায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে সৈকত একাডেমি চ্যাম্পিয়ন       তালায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত       সাতক্ষীরায় সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কনসালটেশন ম্যাপিং সভা       শ্যামনগরে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের মুক্ত আলোচনা       শ্যামনগরে একে ফজলুল হক এমসিএ কলেজে সুধী সমাবেশ       শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের কমিটি গঠন, সভাপতি মিলন, সম্পাদক বাবুল       নীতি-আদর্শের কারনে সাংবাদিকরা যে সম্মানিত হতে পারে সুভাষ চৌধুরী তার অনন্য উদাহরণ –মনজুরুল আহসান বুলবুল       সাতক্ষীরায় জেলা কৃষকলীগের তৃণমূলের মতামত কে উপেক্ষা করে কমিটি ঘোষনার প্রতিবাদে জেলা কৃষকলীগের অধিকাংশ কাউন্সিলরদের সংবাদ সম্মেলন       বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করল সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ       পদ্মপুকুরে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত    
 


চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ডাঃ প্রভাতের দখিনা পদক লাভ

পাইকগাছার জনপ্রিয় চিকিৎসক ও প্রাক্তন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রভাত কুমার দাশ দখিনা পদক লাভ করেছেন। চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্মরূপ গত শনিবার মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বসতবাড়ী সাগরদাড়ীতে খুলনার ঐতিহ্যবাহী জন ও সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন দখিনার পারিবারিক মিলনমেলা ও দখিনা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রভাত কুমার দাশকে এ পদক প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলর কাটীপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ডা: প্রভাত কুমার দাশ তার পিতার নাম- মৃ: মনোরঞ্জন দাশ, মাতার নাম লক্ষী রাণী দাশ। তিনি-বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। ১৯৫৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী আমাদি গ্রামে মামার বাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন ডা: প্রভাত কুমার দাশ। তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় রাড়–লী গ্রামের আক্কাজ পন্ডিতের পাঠশালায়। এর পর রাড়–লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী, স্যার আাচার্য প্রফুল্ল চন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত আর.কে.বি.কে হরিশচন্দ্র ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৭৬ সালে প্রথম বিভাগে এস.এস.সি, ১৯৭৯ সালে বি.এল কলেজ থেকে প্রথমবিভাগে এইস.এস.সি, ১৯৮৫ সালে বরিশালের শের ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এম.বি.বি.এস. পাস করেন। ডাক্তারী পাস করে তিনি তার ঠাকুর দাদার ইচ্ছে পূরণের জন্য ও মুক্তিযোদ্ধা ও তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ এর অনুপ্রেরনায় নিজ এলাকায় স্বাস্থ্য সেবায় নিয়জিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৮ সালে তিনি মেডিকেল অফিসার হিসেবে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় যোগদান করেন। চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি গাইনী ও প্রসুতি বিদ্যার ওপর প্রশিক্ষন গ্রহণ করেন। পরবর্তিতে তালা, ডুমুরিয়া, কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলায় সুনামের সহিত সরকারি চাকুরি করেন। ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এ পর্যস্ত তিনি কমপক্ষে লক্ষাধীক গর্ভবতী ও প্রসুতি মায়েদের সেবা দিয়েছেন। কর্মময় জীবনে তিনি হাসপাতালকে মন্দির ও রোগীদের দেবতা তুল্য মনে করতেন। অনেকেই তাকে হাসপাতালের পুরহিত মনে করতেন। এলাকায় তার যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। চিকিৎসার জন্য তিনি মানুষের কাছে অতিপ্রিয় এবাং আস্থাভাজন ব্যক্তি। চিকিৎসা সেবাই বিশেষ অবদান রাখায় এলাকাবাসির পক্ষথেকে তাকে আজীবন সম্মাননা প্রদান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির আজিবন সদস্য নির্বাচিত করে সম্মানিত করা হয়। তিনি বাকি জীবন এলাকার মানুষের সেবা করে যেতে চান।


Top