আজ || শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২
শিরোনাম :
  তালায় কিশোরীদের মাঝে স্যানিটারী ন্যাপকিন বিতরণ       সাতক্ষীরায় বাস্তচ্যুত ব্যক্তিদের অধিকার আদায়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত       সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহকে ফুলের শুভেচ্ছা জানালো জাতীয় মহিলা সংস্থা তালা শাখা       নিরামিষ সবজি রান্নার রেসিপি       তালায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে মানববন্ধন       বাস্তচ্যুত ব্যক্তিদের অধিকার আদায়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত       চুকনগরে ৪০ পরিবারের মাঝে গাছসহ কৃষি উপকরণ বিতরণ       শ্যামনগর উপজেলা মডেল মসজিদের পাইলিং ঢালাইয়ের শুভ উদ্ধোধন       তালায় ট্রাক-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নারী নিহত       জেলা প্রশাসকের সাথে বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়    
 


করোনা ভাইরাস আতংকে কেশবপুরে মাস্ক কেনার হিড়িক ॥ কয়েকগুন বেশি দামে বিক্রি

করোনা আতঙ্কে কেশবপুরবাসী

করোনা ভাইরাস আতংকে কেশবপুর শহরে মাস্ক কেনার হিড়িক পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে দোকান গুলিতে একই ভাবে মাস্ক বিক্রি হচ্ছে। মাস্ক কিনতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের ভিড় ছিল লক্ষনীয়।

বাংলাদেশে ৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর কেশবপুরে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর থেকেই মাস্ক কেনার ধুম পড়ে যায়। মাস্কের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গত দুই দিনে দোকান গুলোতে মাস্ক ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে।

পৌর শহরের বাঘ চত্বরের ইসলাম বস্ত্রালয়ের মালিক (মাস্ক বিক্রেতা) আজাহারুল কবীর বলেন, দোকানে যে মাস্ক ছিল তা গত দু’দিনে বিক্রি হয়ে গেছে। মাস্ক কেনার হিড়িক পড়ায় নতুন করে বেশি দামে মাস্ক কিনতে হয়েছে। সে কারণে ক্রেতাদের নিকট বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আগে যে মাস্ক আমরা ১০ টাকায় বিক্রি করতাম সেটা এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

পৌর শহরের বাঘ চত্বরের অন্য একটি কাপড়ের দোকানে মাস্ক কিনতে গেলে দেখা যায় তিনি ৫ টাকার মাস্ক ২০ বিক্রি করছেন এবং ১০ টাকার মাক্স ৫০ টাকা দাম হাকান। এছাড়াও মঙ্গলবার বিভিন্ন দোকানে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় তারাও অধিক দামে মাস্ক বিক্রি করছে।

উপজেলার কাস্তা গ্রাম থেকে কেশবপুর শহরে আসা মাস্ক ক্রেতা আক্তার হোসেন জানান, বাংলাদেশে ৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় তিনি পরিবারের সদস্যদের জন্য মাস্ক কিনতে আসেন এবং তিনিও মাস্ক কিনে ব্যবহার করছেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মাস্ক বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় দোকান মালিকরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ১০ টাকার মাক্স ৩০ টাকায় তার নিকট বিক্রি করেছে। এ ব্যপারে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহিলা মাস্ক ক্রেতা বলেন, তিনিও তার স্কুল পড়ুয়া ছেলে-মেয়ের জন্য মাস্ক কিনেছেন। তার নিকট থেকেও দোকান মালিক বেশী দাম নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, সারা দেশে করোনা ভাইরাস আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এ রোগের প্রধান লক্ষন হলো জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট। এ উপজেলায় এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে কেউ সনাক্ত হয়নি। তবে মাস্ক ব্যবহার করলে কিছুটা হলেও নিরাপদে থাকবে। অন্যের হাঁচি ও কাশি থেকে কিছুটা নিজেকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। বাড়ির বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যাবহার করতে হবে, এতে কিছুটা নিরাপদে থাকা সম্ভব। করোনা ভাইরাস আতংক না ছড়িয়ে জনসাধারণের ভিতর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।


Top