আজ || সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২
শিরোনাম :
 


করোনায় কেমন আছে খেশরার প্রতিবন্ধী সোবহান? খোঁজ নেয়নি কেউ

রিয়াদ হোসেনঃ তালার খেশরার মোঃ সোবহান ফকির।পিতা মৃত মোঃ রফিকুল ইসলাম ফকির।বাড়ি তালার শাহাজাতপুরের পূবালী পাড়ায়। সোবহান শারীরিক প্রতিবন্ধী। দিন চলে একটি মোটর চালিত ভ্যান চালিয়ে।সারাদিন ভ্যান চালিয়ে এসে বিকালে শাহাজাতপুর ইউসুফগঞ্জ বাজারে ছোট খাটো একটি চায়ের দোকান চালায়।
করোনার প্রভাবে সবকিছু বন্ধ হয়ে আছে তার।করোনায় কেমন আছে এই প্রতিবন্ধী সোবহান খোজ নেয়নি কেউ।

সংসারে রোগাক্রান্ত বৃদ্ধ মা।আছে তার স্ত্রী।স্ত্রী ও মাকে নিয়ে ছোট্ট সংসারটি একেবারে অচল হয়ে পড়েছে বললেই চলে।করোনায় না পারছি বাইরে বের হয়ে ভ্যান চালাতে না পারছে চায়ের দোকানটা খুলতে।

এমনকি করোনা ছাড়া অন্য সময়ও ঠিক মতো চলে না তার সংসার।দুটো পায়ে বড় ক্ষতের সৃষ্টি।ঠিক মতো চলাচল করতে অসুবিধা হয়।সংসারের কিছুটা ব্যয় বের করে চায়ের দোকানটা চালিয়ে।করোনার থাবায় সেটিও থুবড়ে পড়েছে। সারাদেশে কোভিড-১৯ এর কারনে বন্ধ আছে সমস্ত চায়ের দোকান। যার প্রভাবে তালার খেশরার শাহাজাতপুর বাজারটিতেও বন্ধ আছে দোকানগুলো।যে কারনে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে সে এবং তার পরিবারের অনন্য সদস্যরা।

প্রতিবন্ধী মোঃ সোবহান ফকির বলেন,আমরা চায়ের দোকানদাররা সবচেয়ে বিপদে আছি।প্রায় গত একমাস ধরে চায়ের দোকান বন্ধ থাকায় খাদ্য সংকটে পড়ে গেছি।

তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে জোর দাবি করেছেন আমাদের মত যারা চায়ের দোকানদার আছে তাদের যেন আলাদা লিস্ট করে ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়। তা না হলে আমদের না খেয়ে মারা যাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।

এবিষয়ে খেশরা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এস.এম লিয়াকত হোসেন বলেন,সে আসলে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার পা দুটোতে বেশ ক্ষত আছে।হাঁটতে চলতে গেলে সাধারন মানুষের মতো করে হাঁটতে পারে না।

 


Top